বস্তি থেকে অ্যাপার্টমেন্ট: কিরনের বাস্তব গল্প

বস্তি থেকে অ্যাপার্টমেন্ট: কিরনের বাস্তব গল্প
প্রকাশ : ০৬ নভেম্বর ২০১৫, ১৬:০২:০৩
বস্তি থেকে অ্যাপার্টমেন্ট: কিরনের বাস্তব গল্প
মো. মহসিন হোসেন
প্রিন্ট অ-অ+
কিরনের বয়স তখন এগারো বারো। বাবা ক্রাইম রিপোর্টার। একটা নিউজ করলেন প্রভাবশালী এক রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে। এতেই কিরনের পরিবারের ওপর দিয়ে বয়ে গেল একটা টর্নেডো। লণ্ডভণ্ড হয়ে গেল পরিবারটি। গোছানো সংসারের সবকিছু ফেলে কিরনদের জায়গা হলো বস্তিতে। দীর্ঘদিন পালিয়ে থাকতে হলো বাবাকে। বাসা থেকে সঙ্গে করে কিছেই আনতে পারেননি  মা। 
 
কিরন প্রাইমারি পেরিয়ে কেবল ভর্তি হয়েছিল হাই স্কুলে। ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস। স্কুলের বদলে তার স্থান হলো বস্তির দুষ্টু ছেলেদের ক্যারামের টেবিলে। লেখাপড়ার বদলে কিরন ধরলো ক্যারাম বোর্ডের স্টাইক। জীবন থেকে ঝরে গেল দুটি বছর। এসময় আবারো একটা ঝড় ঘুরিয়ে দিল কিরনের মোড়। একজন পুলিশ কনস্টেবল দাঁড়ালেন কিরনদের পরিবারের পাশে। আবারো নিয়ে গেলেন স্কুলে। প্রধান শিক্ষককে সব খুলে বললেন। ভর্তি করালেন ৮ম শ্রেণিতে। 
 
শুরু হলো কিরনের গল্প। হ্যাঁ এতক্ষণ যার গল্প করছিলাম তার নাম মো. আল আমিন কিরন। বর্তমানে মাল্টিন্যাশনাল ব্যবসা করেন। চাকরিও করেন বিদেশি দুটো বড়  প্রতিষ্ঠানে। থাকেন নিজের কেনা অ্যাপার্টমেন্টে। সম্মানও পান অভিজাত শ্রেণির মানুষদের কাছে। কিন্তু ভুলতে পারেননি শৈশব কৈশরের সেই নিদারুণ কষ্টের দিনগুলির কথা। বুধবার এসেছিলেন বিবার্তার অফিসে। গল্প করলেন বিবার্তার চিফ রিপোর্টার মহসিন হোসেনের সঙ্গে দীর্ঘ সময়। বেরিয়ে এলো তার জীবনের উত্থান পতনের নানা কাহিনী। আজ শুনবো সেই গল্প। 
বস্তি থেকে অ্যাপার্টমেন্ট: কিরনের বাস্তব গল্প
বলতে শুরু করলেন কিরন। কোনো এক কালে পূর্ব পুরুষের আদি নিবাস ছিল রংপুরে। সেখান থেকে দাদার আমলেই চলে গিয়েছিলেন লক্ষীপুর। সদর উপজেলার পূর্ব দীঘলীতে। গ্রামের নামটি মনে আছে। ২/৪ বারের বেশি সেখানে যাওয়া হয়নি। আর রংপুরের কোথায় বাড়ি ছিল তাও জানি না। জন্ম এবং বড় হয়েছি ঢাকায়। মীরপুরের শাহ আলী বাগে বাসা ছিল। বাবা সাংবাদিকতা করতেন। মা একটা ছোট চাকরি করতেন। 
 
মীরপুর উপশহর প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ৫ম শ্রেণি পাস করলাম। ভর্তি হলাম মীরপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে। আমি তখন ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র। বাবা ক্রাইম রিপোর্টার হওয়ার কারণে মানুষের অপরাধ দুর্নীতি তুলে ধরতেন। দেশের একটি বড় পত্রিকার রিপোর্টার ছিলেন তিনি। একদিন মীরপুরের প্রভাবশালী একজন রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করলেন। এতে ওই নেতা ক্ষুব্ধ হয়ে হুমকি দিলেন পরিবারের সবাইকে মেরে ফেলা হবে। বাবা ভয় পেলেন। রাতের মধ্যেই গোছানো সংসারের সব ছেড়ে আমরা ভাষানটেকের বস্তিতে গিয়ে উঠলাম। 
 
আমার কোনো ভাই বোন ছিল না। বাবার একমাত্র সন্তান। স্কুল নেই। কোনো লেখা পড়াও নেই। বস্তির ছেলেদের সঙ্গে আড্ডা আর ক্যারাম খেলে সময় কাটতো। বাবা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। আর আমি বস্তির ছেলেদের সঙ্গে ক্যারাম খেলছি। এভাবে চললো প্রায় দুই বছর।
 
এসময় আমাদের বস্তির কাছে একটি নুতন পুলিশ ফাঁড়ি হয়েছিল। ওই ফাঁড়ির একজন কনস্টেবল নাম আবদুল মান্নান। সম্ভবত সিরাজগঞ্জে তার বাড়ি। (বড় হওয়ার পর আর খুঁজে পাইনি তাকে) তিনি আমাদের ক্যারম খেলা দেখতেন। মাঝে মাঝে খেলতেনও আমাদের সঙ্গে। একদিন আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন। তুমি লেখাপড়া কর না। তোমাকে তো সব সময় এখানে খেলতে দেখি। আমি আমার পেছনের ইতিহাস তাকে খুলে বললাম। 
 
তিনি আমাকে নিয়ে আমাদের বাসায় এলেন। বাবা-মা’র সঙ্গে কথা বললেন। তারপর আমাকে নিয়ে গেলেন ভাষানটেক হাই স্কুলে। প্রধান শিক্ষককে সব খুলে বললেন। তাকে অনুরোধ করলেন আমার ২ বছর যাতে নষ্ট না হয়। সেজন্য সরাসরি ৮ম শ্রেণিতে যেন ভর্তি নেয়। প্রথমে তিনি (প্রধান শিক্ষক) রাজি হননি। পরে আমার মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে দেখলেন আমি ৮ম শ্রেণিতে ভর্তি হলে পারবো। তাই আমাকে ভর্তি নিলেন। 
 
আবার শুরু হলো আমার লেখাপড়া। ওই স্কুল থেকে ২০০৩ সালে ৪.৩১ পেয়ে এসএসসি পাস করলাম। এরপর আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজে ভর্তি হলাম। কলেজ জীবনটাই আমার মোড় ঘুরিয়ে দিল। আমি ব্যবসায় অনুষদ বিভাগে ভর্তি হলাম। তখন আমার একটিমাত্র শার্ট ছিল। তাও খুব খারাপ অবস্থা। বন্ধুরা সবাই ভালো ভালো শার্ট পড়ে আসতো। আমার জুতাটা ছিল অনেক বড়। তাই কাপড় ভেতরে দিয়ে তারপর জুতা পায়ে দিতে হতো। 
বস্তি থেকে অ্যাপার্টমেন্ট: কিরনের বাস্তব গল্প
 
এভাবেই ক্লাশ করতে লাগলাম। বাসা থেকে আমাকে ৮টাকা দেয়া হতো। কারণ আম্মু একটা ছোট চাকরি করে সংসার চালাতেন। তাই এর বেশি দেয়া তাদের পক্ষে সম্ভব ছিল না। এই ৮ টাকার মধ্যে ৬ টাকা যেত গাড়ি ভাড়া। ওদিকে প্রতিদিন কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরিতে যেতে হবে। আর কোচিং করতাম ফার্মগেট ম্যাবস-এ। কলেজ ছুটি হলে সোজা হেটে চলে যেতাম ঢাবি এলাকায় কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে। 
 
সেখানে গিয়ে বিভিন্ন ধরণের বই পড়তাম। সাহিত্যের প্রতি আগে থেকেই দুর্বল ছিলাম। তাই ক্লাসের বই ছাড়াও নানা রকমের সাহিত্য পড়তাম। আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে হেটে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি। সেখান থেকে হেটে ফার্মগেট। কোচিং শেষে বাসায়। সব মিলিয়ে প্রতিদিন প্রায় ২০ কিলোমিটার হাটতাম। 
 
এদিকে রাতে যে, বাসায় একটু বসে পড়বো তেমন ব্যবস্থা ছিল না। আমাদের বাসায় কোনো টেবিল চেয়ার না থাকায়, বন্ধু সোহাগের বাসায় গিয়ে পড়তাম। রাতে ঘুম হতো না। তাই প্রায় রাতই পড়ে কাটিয়ে দিতাম। 
 
বন্ধুদের নাম জানতে চাইলে কিরন একে একে তার বন্ধুদের নাম বললেন। প্রিয় বন্ধুদের মধ্যে যাদের নাম মনে আসছে, তারা হলো-কামরুজ্জামান কাফি (বর্তমানে চার্টার্ড একাউন্টেন্ট) সায়েম (এয়ারটেলে জব করছে)। সাকলায়েন (আরএমজি ব্যবসায় করে)। তোফা (উঁচু মাপের ব্যবসায়ী)।
 
আবার শুরু। কিরন এবার তার উচ্চ শিক্ষার ঘটনাগুলি বলা শুরু করলেন। 
 
শুনবো তার মুখেই। ২০০৫ সালে এইচএসসি পাস করলাম। এসময় থেকেই ইন্টারনেট নিয়ে ঘাটাঘাটি করতাম। আইইএলটিএস করলাম। তো নেটে ঘাটাঘাটি করতে করতে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কলারশিপ পেলাম। ওরা ৭০ ভাগ বহন করবে। বাকি ৩০ ভাগ আমাকে দিতে হবে। কিন্তু বিমান ভাড়া ম্যানেজ করতে পারলাম না। তাই আর যাওয়া হলো না। মনটা অনেক খারাপ হয়ে গেল।এটা ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে খারাপ একটা অভিজ্ঞতা।
 
এরপর ২০০৬ সালে ঢাকা বিশ্বদ্যিালয়ের আইবিএ-তে ভর্তি হলাম। এসময় থেকেই আয় শুরু। টিউশনি করে বেশ ইনকাম হতো। আমি বিবিএর ছাত্র হলেও ট্যুরিজম ডিপার্টমেন্টের মজিব স্যারের ক্লাশের পেছনে গিয়ে বসে থাকতাম। মুজিব স্যার ক্লাসে যে লেকচার দিতেন তাতে অনেক কিছু শেখার ছিল বলেই তখন থেকে আমি স্যারকে খুব পছন্দ করতাম। 
২০১০ সালে অনার্স শেষ হলো। এরই মধ্যে গুগল এফিলিয়েটেড হিসেবে কাজ করা শুরু করলাম। অনলাইন মার্কেটিং, আর্টিকেল লেখা, ট্রানসেলেশনের কাজ করা, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট সবই করতাম। 
 
২০১০ এর শেষের দিকে আমার দাদার মামাতো ভাই। একজন শিল্পপতি। নাম নূর নবী। তিনি হঠাৎ আমাদের বাসায় এলেন। বললেন কিরন তোমাকে সব কিছু ছেড়ে দিতে হবে। তোমাকে আমি অক্সফোর্ডে পাঠাবো। উচ্চ শিক্ষা নেবে। তার কথায় নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করলাম। তিনি ৬ মাস আমাদের বাসার খরচও চালালেন। কিন্তু এরপর আর তাকে খুঁজে পেলাম না। তিনি দেশের বাইরে চলে গেলেন। আর যোগাযোগ নেই। ওই চ্যাপ্টার ওখানেই ক্লোজ হয়ে গেল। 
 
আবার নিজের ধান্ধায় নেমে পড়লাম। এসময় ইউনিভার্সিটি অব গ্লাসগো স্যোশাল-এ একটা থিসিস করলাম। সেটা ওরা ওদের পাঠ্য হিসেবে গ্রহণ করলো। আমাকও অ্যাওয়ার্ড দিল। ২০১৩ সালে মাস্টার্স করলাম। এর আগেই ২০১১ সালের মার্চে ফ্রান্স এম্বাসিতে কালচারাল সেক্রেটারি পদে চাকরি পেলাম। বছর দেড়েক কাজ করার পরই প্রোমোশন হলো। অ্যাডুকেশন ডিপার্টমেন্ট (ক্যাম্পাস ফ্রান্স) এর বাংলাদেশ ইনচার্জ হলাম। 
 
একই সঙ্গে বিভিন্ন ধরণের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত হলাম। ইএসিইএ’র রিজিওন্যাল পরিচালক পদেও কাজ করছি বর্তমানে।
 
কী কী ব্যবসায় করছেন? আমার ব্যবসার মধ্যে প্রধান যেটা সেটা হলো আমদানী রফতানি। আরএমজি সেক্টরে বড় ভাইরা আছেন তাদের সঙ্গেও কিছু ব্যবসায় আছে।
কি ধরণের মালামাল আমদানী ও রফতানি করেন? আমি মূলত স্পেন থেকে অলিভ অয়েল ও অস্ট্রেলিয়া থেকে আপেল ও স্ট্রবেরি আমদানী করি। আর রফতানি বলতে কাঁচা মরিচ ও হলুদ মরিচের গুড়া বিভিন্ন দেশে পাঠাই। মালয়েশিয়া, হাঙ্গেরী, স্লোভেনিয়া, অস্ট্রিয়াতে এসব মাল পাঠাই। 
 
মহেষখালীতে একটি পাওয়ার প্লান্টের সঙ্গেও জড়িত আছি। আমার একটা মুভি ফার্ম আছে। গতবছর ‘লো-আল্টানিক দো সোনারগাঁ’ নামে একটি ফরাসী মুভি তৈরি করি। এটি ফরাসী টিভি চ্যানেলে দেখানো হয়।
 
মুভির গল্প বলতে গিয়ে কিরন চলে যান অন্য জগতে। শুনতে হবে সেখান থেকেও কিছু অংশ। মুভিটি তিনি তৈরি করেন সোনারগাঁ পানাম নগরী নিয়ে। সেখানে পুরোনো যে ভবনগুলো ছিল ইশা খা’র আমলের। ওগুলোতে অনেক ছিন্নমূল পরিবার বাস করতো। তাদেরকে সরকার যখন বের করে দেয়। তখন থাকার কোনো জায়গা ছিল না। ওই সময়টায় কিরন প্রায়ই সেখানে যেতেন। তিনি বললেন, যেদিন সেখানে যেতাম, আসার সময় সঙ্গে কিছু নিয়ে ফিরতাম না। এমনকি গায়ের জামাটা খুলে দিয়ে আসতাম। সে অন্য গল্প।
 
এক সময় বস্তিতে থাকার গল্প তো শোনালেন। তো এই যে আপনার জীবনের পরিবর্তন। এখনকার জীবন সম্পর্কে পাঠকদের কিছু বলবেন না?
 
হ্যাঁ এখনকার জীবন আর ২০ বছর আগের জীবন সে তো আকাশ-পাতাল পার্থক্য। তখন থাকতাম বস্তিতে। পড়ার টেবিল ছিল না। এখন নিজের কেনা অ্যাপার্টমেন্টে থাকি। তখন ৫টাকার জন্য হেটে ১০ মাইল পারি দিতাম এখন নিজের কেনা গাড়িতে ঘুরে বেড়াই। 
 
তখন ক্যান্টিনে খেতে গেলে টাকার অভাবে নিজের পছন্দের কিছু খেতে পারতাম না। এখন যখন যা ইচ্ছা, যেখানে ইচ্ছা খেতে পারছি। তখন বিমান ভাড়ার অভাবে স্কলারশিপ পেয়েও বিদেশ যেতে পারিনি। এখন ইচ্ছা করলেই বিদেশে যেতে পারি। 
 
আর কোনো ব্যবসার কথা কী বলবেন? হ্যাঁ আমি আর আমার বন্ধু মাহমুদ দুজনে অন্য একটা ব্যবসা করি। সেটা আপনাদের রিলেটেড। আমরা ওয়েব ডিজাইন  করি। ওয়েব দুনিয়ার যত রকমের সমস্যা আছে, সব কিছুই আমরা করি। আপনাদের অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে শুরু করে যত রকমের ওয়েব সাইট আছে সবই আমরা বানাই।
 
সেটা দেশ সেরা হবে বলতে পারি। ডোমেইন, হোস্টিং সার্ভিস, এসইও’র কাজ সবই করি। আমাদের কোম্পানিটার নাম ‘স্টুডিও কিমা পুরি’।
 
বেশ মজারতো নামটি। একটু ব্যাখ্যা করবেন?
 
হ্যাঁ আমার নাম কিরন। বন্ধুর নাম মাহমুদ। তো দুজনের নামের প্রথম অক্ষর কিরনের ‘কি’ আর মাহমুদের ‘মা’ মিলে হলো কিমা। আর ‘পুরি’ শব্দের অর্থ দুনিয়া। এটা মিলিয়ে নাম দিয়েছি কিমা পুরি। 
 
অফিস কোথায়? আমাদের অফিস মীরপুরের ৩০৪, কাজী পাড়ায়।
 
অনলাইন জগতের যে কোনো সমস্যার জন্য যে কেউ আমাদের কাছে এলে সমাধান দিতে পারবো আশা করি।
 
ছোট বেলার কোনো স্মরণীয় ঘটনা বলবেন কি? আমি তখন প্রাইমারীর ছাত্র। ছিলাম অটিস্টিক। হাটতে পারতাম না। হাটলে পড়ে যেতাম। স্কুলে ভাল ছাত্র হিসেবে সবাই জানতো। রেজাল্টও সব ক্লাশে ভাল ছিল। স্কুলের স্যাররা তাই আদর করতেন। একদিন এক স্যার ক্লাশে এসে আমাকে ডাক দিলেন।
 
আমি বেঞ্চ থেকে উঠে স্যারের দিকে যাচ্ছিলাম। কিন্তু মেঝেতে পড়ে গেলাম। তখন সহপাঠিরা সবাই হেসে দিয়েছিল। আর আমাকে নিয়ে মজা করছিল। ওই ঘটনাটি আজও আমাকে কষ্ট দেয়। পরে অবশ্য আমি ভাল হয়ে যাই।
        
আজকের গল্প আর লম্বা করা যাবে না। তাই শেষ করতে হবে। তবে আপনার গল্প শোনা কিন্তু শেষ হলো না। আবার শুনতে হবে। 
 
আপনাদের অফিসে এসে অনেক ভাল লাগলো। আবারো আসবো। শুনাবো আরো অনেক গল্প। যে গল্প সবই বাস্তত ঘটনা নিয়ে। পাঠক অপেক্ষা করুন। কিরনের আরো গল্প শোনার জন্য। আজ এখানেই বিদায়।
 
বিবার্তা/মহসিন/মাজহার  
 
 
 
 
 
 
   
 
সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

৪৬, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ

কারওয়ান বাজার (২য় তলা), ঢাকা-১২১৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১১৯২১৫১১১৫

Email: [email protected], [email protected]

© 2019 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com